এবার পুজোয় বিভিন্ন ধরণের অলঙ্কারের পাশাপাশি বাড়ছে মাটির তৈরি অলঙ্কারে চাহিদাও, ব্যস্ত শিল্পীরা
দি নিউজ লায়নঃ বাঙালীর শ্রেষ্ঠ উৎসব শারদ উৎসব।আর শারদ উৎসবে দেবী দশভূজা জেমনি সেজে আশুক না কেনো ? পূজার কয়টি দিনে মা বোনেরা নিজেদের সাজিয়ে তুলবে নানান সাজে।হাতে তাই কয়দিন তার পরেই মা বোনেরা কেনা কাটায় ব্যস্ত হয়ে পড়বে।এবারে বিভিন্ন ধরণের অলঙ্কারের পাশাপাশি মাটির তৈরি অলঙ্কারেও চাহিদা বাড়ছে।তাই এখোন বেস্ততা বেড়েছে উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ ব্লকের কুনোর হাটপাড়ার টেরাকোটা শিল্পীদের।
দিনরাত এক করে মাটির অলঙ্কার তৈরি করতে ব্যস্ত টেরাকোটা শিল্পীরা।বর্তমান আধুনিক যুগে অনেকেই মাটির তৈরি বিভিন্ন ডিজাইনের অলঙ্কার পড়তে ভালো বাসেন।বিভিন্ন রঙ বেরঙের মাড়ির তৈরি অলঙ্কার মা বোনেদের পোশাকের সাথে ম্যাচ করে পড়তে ভালো বাসেন।ফলে দিন দিন মাটির তৈরি টেরাকোটার অলঙ্কার চাহিদা বাড়ছে।আর চাহিদা মতো মাটির অলঙ্কারের যোগান দিতে এখোন নাওয়া খাওয়া বাদ দিয়ে বেজায় ব্যস্ত কালিয়াগঞ্জ ব্লকের কুনোরের হাটপাড়ার গোপাল চন্দ্র রায় ও তার পরিবারে।মূলত গলার হাড়,কানের দুল,মালার সেট,হাতের বালা এই সব ধরণের সামগ্রী বানান।
বছরের অন্যান দিন টেরাকোনার ঘড় সাজানোর সামগ্রী তৈরি করলেও সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে মাটির অলঙ্কারের প্রতি মা বোনেদের চাহিদা বেড়ে চলায় পূজার কিছু দিন দুলাল বাবু সপরিবারে মাটির অলঙ্কার বানাতে ব্যস্ত থাকেন।এই অলঙ্কার বানিয়ে তাদের উপার্যন ভালোই হয়।তাদের হাতের তৈরি বিভিন্ন ধরণের মাটির অলঙ্কার সুধু এই জেলায় কিংবা রাজ্যে সীমিত থাকে নিয়ে অ্যামেরিকা, রাশিয়ার মতো ভিন দেশেও গিয়েছে বলে জানান দুলাল বাবু।করোনা অতিমারির কারণে গত বছর কিছুটা,মন্দা ছিলো কিন্তু এবছর কিছুটা শিথিলতা থাকা আশার আলো দেখছেন টেরাকোটা শিল্পী দিলাল রায়।

Post a Comment